খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের কোম্পানি তাওফিকা ফুডস অ্যান্ড লাভেলো আইসক্রিম পিএলসি সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৬ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ১১ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যানুসারে সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে লাভেলো আইসক্রিমের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৬৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৭৯ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ১ পয়সায়।
কোম্পানিটি জানিয়েছে, পরিশোধিত মূলধন বৃদ্ধির জন্য রিজার্ভের একটি অংশ থেকে স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। এতে রিজার্ভে কোনো ঘাটতি বা ঋণাত্মক ভারসাম্য সৃষ্টি হবে না। এছাড়া অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি থেকে ২০০ কোটি টাকায় বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। এসব সিদ্ধান্তে বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে আগামী ৩০ ডিসেম্বর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৬ নভেম্বর।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) লাভেলো আইসক্রিমের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৯১ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৩ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে লাভেলো আইসক্রিমের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৪৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ২৪ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৩৭ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে লাভেলো আইসক্রিমের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ২৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৪৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১২ টাকা ৯৪ পয়সায়।
২০২১ সালে পুঁজিবাজারে লাভেলো আইসক্রিমের লেনদেন শুরু হয়। কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৯৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা।
রিজার্ভে রয়েছে ২০ কোটি ১৪ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৯ কোটি ৩৫ লাখ। এর ৩৮ দশমিক ৬৬ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২০ দশমিক ৩৫ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪০ দশমিক ৯৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।